
বার্তা সংস্থা ইকনা: তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত তিক্ত ও বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। ইরানের হজ সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে সর্বোচ্চ নেতা এ কথা বলেছেন। মিনা ট্র্যাজেডির বিষয়ে পশ্চিমা সরকার ও মানবাধিকার সংস্থারগুলোর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেন সর্বোচ্চ নেতা। এ ঘটনায় সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং হজ সংস্থার কর্মকর্তাদের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে খোঁজখবর নেয়া অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিনায় প্রতীকি শয়তানকে পাথর মারার সময় হঠাৎ প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে হাজারো নিহত হন। ইরান গতকাল বলেছে, সৌদি আরবে অন্তত ৫,০০০ হাজির দাফন করা হয়েছে। কিন্তু সৌদি আরব প্রথম দিকে ৭৭০ জন হাজি নিহত হওয়ার কথা বলেছে এবং এ সংখ্যা আর বাড়ায় নি। অথচ বিভিন্ন দেশের হাজি মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সর্বোচ্চ নেতা বলেন, মিনা ট্র্যাজেডির বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সম্মিলিত কণ্ঠে প্রতিবাদ করার দরকার ছিল কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ ইস্যুতে শুধু ইরানই জোরালোভাবে প্রতিবাদ করছে। আইআরআইবি