
আল-জাজিরার বরাত দিয়ে ইকনা জানায়, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জন শহিদ ও ১৮ জন আহত হাসপাতালে এসেছেন। এখনো অনেক শহিদের লাশ ধ্বংসস্তূপের নিচে ও রাস্তায় পড়ে রয়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলো অবরোধ ও হামলার কারণে সেখানে পৌঁছাতে পারছে না।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে: ১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত নিবন্ধিত শহিদের সংখ্যা ৫৭৪ এবং আহতের সংখ্যা ১ হাজার ৫১৮ জন। এই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৭১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে মোট শহিদের সংখ্যা ৭১ হাজার ৮৫১ এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭১ হাজার ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
মন্ত্রণালয় মানবিক পরিস্থিতির চরম অবনতি ও চিকিৎসা সুবিধার তীব্র অভাবের কথা উল্লেখ করে সতর্ক করে বলেছে: হামলা অব্যাহত থাকলে এবং ত্রাণ সরবরাহে বাধা দেওয়া হলে শহিদ ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়বে।
আমেরিকার সমর্থনে ইসরায়েলের গাজায় চালানো আগ্রাসন শুধু গণহত্যাই নয়—উপত্যকার ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। জাতিসংঘের হিসাবে এই ক্ষয়ক্ষতি পুনর্গঠনের খরচ প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার। 4332539#