IQNA

সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে হাজারো নাগরিককে বহিষ্কারের উদ্যোগ পাকিস্তানের

15:12 - June 10, 2026
সংবাদ: 3479289
সাম্প্রতিক মাস ও সপ্তাহগুলোতে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে দেশটির সাধারণ নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

ইকনার প্রতিবেদনে, আল-আলাম-এর ইসলামাবাদ প্রতিনিধি জানান, পাকিস্তানের সরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রস্তুত করা এক নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গত মে মাসে দেশজুড়ে ১৩০টিরও বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এটিই ছিল সহিংসতার সর্বোচ্চ মাত্রা।

প্রতিবেদনটি সন্ত্রাসী হামলার ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলার উপায় নির্ধারণের লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার ও সামরিক প্রতিষ্ঠানের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পাকিস্তানি সূত্রগুলোর দাবি, এসব হামলার পেছনে রয়েছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। ইসলামাবাদের কাছে এমন তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় যে উভয় সংগঠন যৌথ সমন্বয়কক্ষের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম, পরিকল্পনা ও হামলা পরিচালনার প্রচেষ্টা একীভূত করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু বিশ্লেষণ ও অনুমানের ভিত্তিতে পাকিস্তানের ধারণা, এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অর্থায়ন ও লজিস্টিক সহায়তার ক্ষেত্রে ভারতের সমর্থন পেয়ে থাকতে পারে। ইসলামাবাদ এ পরিস্থিতিকে একটি “প্রক্সি যুদ্ধ” বা পরোক্ষ যুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করছে। পাকিস্তানের দাবি, গত বছর সরাসরি মোকাবিলায় ব্যর্থ হওয়ার পর ভারত এ ধরনের কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা বাড়িয়েছে।

আল-আলামের ইসলামাবাদ প্রতিনিধি আরও জানান, সন্ত্রাসী হামলার ক্রমবর্ধমান ঢেউয়ের মুখে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে।

অন্যদিকে, সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদ সরকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আফগান অভিবাসীকে দেশ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের মতে, সন্ত্রাসী হামলার সংকট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশটির পক্ষে বিষয়টি আর উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। 4357444#

captcha