
ইকনা জানায়, গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ জুন দক্ষিণ ইরানের সিরিক কাউন্টির বামানি গ্রামে দুটি পানি সংরক্ষণাগারে হামলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই স্থাপনাগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকে, তাহলে তা স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই দুটি স্থাপনা প্রায় ২০ হাজার মানুষের পানির চাহিদা পূরণ করত। আমেরিকান সাবেক আইনজীবী ব্রায়ান ফিনুকেইন বলেন, “যদি প্রমাণিত হয় যে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, তাহলে এটি আইনত অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।”
নিউইয়র্ক টাইমসও জানিয়েছে, বুধবার ভোরে ইরানের দক্ষিণ উপকূলে পানি সরবরাহের একটি বড় স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এনবিসি নিউজ স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করেছে যে, হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি গ্রামের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা আমেরিকার বিমান হামলায় ধ্বংস হয়েছে।
এনবিসি নিউজ আরও বলেছে, যদি প্রমাণিত হয় যে অ-সামরিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তাহলে তা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।4357756#