IQNA

23:17 - August 22, 2017
সংবাদ: 2603677
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যিয়রারাতে আলে ইয়াসিনে ইমাম মাহদীকে পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াতকারী ও মুফাসসির হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। «اَلسَّلامُ عَلیکَ یا تالیَ کِتابِ اللهِ وَ تَرجُمانَه» হে কুরআনের তিলাওয়াতকারী! এবং মুফাসসির আপনার প্রতি সালাম।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: পবিত্র কুরআন হচ্ছে মুসলমানদের সব থেকে শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ আর এর মধ্যে রয়েছে মানুষের সকল শিক্ষা ও হেদায়াত। সুতরাং অব্যশই কুরআন তিলাওয়াত করতে হবে, কোরআন বোঝার চেষ্টা করতে হবে এবং কুরআনের নির্দেশ ও বিধিবিধানের উপর আমল করতে হবে।

অতএব আমাদেরকে অবশ্যই কুরআন সঠিকভাবে পড়া শিখতে হবে এবং সন্তানদেরকেও শিক্ষা দিতে হবে। কেননা পিতার প্রতি সন্তানের একটি অধিকার হচ্ছে তাকে «وَیُعَلّمَهُ القُرآن» কোরআন শিক্ষা দেয়া।

মহানবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) বলেছেন: «إذا أحَبَّ أحدُکم أن یُحَدِّثَ رَبَّهُ فَلیَقرءِ القرآن؛  তোমাদের মধ্যে কেউ যদি আল্লাহর সাতে কথা বলতে চায় তাহলে সে যেন কুরআন তিলাওয়াত করে।

ইমাম সাদিক(আ.) বলেছেন: কুরআন হচ্ছে বান্দার সাতে খোদার চুক্তিনামা সুতরাং প্রতিটি বান্দার উচিত এই চুক্তিনামাকে প্রতিদিন একবার করে পরখ করা। আর তোমরা প্রতিদিন কমপক্ষে আল কুরআনের ৫০টি আয়াত তিলাওয়াত করবে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র গ্রন্থ কুরআন নাজিল করছেন যে, তাঁর বান্দাগণ নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করবে; কুরআনের অর্থ ও ভাব অনুধাবন করবে এবং কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমল করবে। কুরআনে উল্লেখিত ঐতিহাসিক ঘটনাসমূহ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তিই কুরআন থেকে ইহকাল ও পরকাল সম্পর্কিত বিষয়াবলীর সঠিক দিক-নির্দেশনা গ্রহণ করবে।

সুতরাং একজন প্রকৃত ঈমানদার এবং ইমাম মাহদীর প্রতীক্ষাকারী ব্যক্তির জন্য উচিত হচ্ছে বেশী করে কুরআন তিলাওয়াত করা এবং কুরআনের সাতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা। শাবিস্তান
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: