IQNA

8:05 - March 01, 2019
সংবাদ: 2608036
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ মানুষকে অনেক ধরণের ওয়াদা দিয়েছেন। যার কিছু এই দুনিয়াতেই বাস্তবায়ন হবে। وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آَمَنُوا وَاتَّقَوْا لَفَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَرَكَاتٍ مِنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ وَلَكِنْ كَذَّبُوا فَأَخَذْنَاهُمْ بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: যদি জনপদ বা শহরগুলোর অধিবাসীরা ঈমান আনতো এবং আল্লাহ্‌কে ভয় করতো, আমি অবশ্যই তাদের জন্য আকাশ ও পৃথিবীর [সকল] কল্যাণ উন্মুক্ত করে দিতাম। কিন্তু তারা [ আমার নিদর্শন বা সত্যকে] প্রত্যাখ্যান করেছিলো। সুতরাং তাদের কু-কর্মের জন্য আমি তাদের [শাস্তির] অন্তর্ভুক্ত করেছি।

উপভোগের সব কিছুই সমান নয়। মুমিনদের যেসব নিয়ামত দেয়া হয় সেগুলো স্থায়ী ও বরকতে পরিপূর্ণ এবং অশেষ বরকতের আধার। এইসব নিয়ামত আল্লাহর দয়ার নিদর্শন। অন্যদিকে কাফিরদের যেসব ভোগের সামগ্রী দেয়া হয় সেগুলো ক্ষণস্থায়ী, অশুভ ও খোদায়ী ক্রোধের নিদর্শন।

সমাজে বরকত নাজিল হওয়ার জন্য কেবল ব্যক্তিগত ঈমান ও খোদাভীরুতাই যথেষ্ট নয়। এ জন্য সমাজের বেশিরভাগ মানুষকেই খোদাভীরু হতে হবে।

যাবুরে এ সুসংবাদ লিখিত আছে যে, যারা আল্লাহর ইবাদত করে এবং সৎকর্মপরায়ণ, তারা জানুক যে, সৎকর্মের প্রতিদান শুধু পরকালের জন্যই নির্দিষ্ট নয়; বরং দুনিয়াতেও আল্লাহ এরূপ বান্দাদের রাজত্ব ও শাসন ক্ষমতা প্রদান করবেন যেমনটি তিনি সূরা নূরের ৫৫ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছেন।

তবে সমগ্র বিশ্বের ওপর পরিপূর্ণ ন্যায়বিচারভিত্তিক এবং জুলুমমুক্ত রাজত্ব ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সর্বশেষ স্থলাভিষিক্ত প্রতিনিধি দ্বাদশ ইমাম তথা ইমাম মাহদী (আ.)-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।

নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: