IQNA

20:52 - February 17, 2020
সংবাদ: 2610250
তেহরান (ইকনা)- আজ ইরাকি নিউজ চ্যানেল আল-মায়াদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন: বিভিন্ন পন্থায় ইরানের প্রতিশোধ অব্যহত থাকবে। আমেরিকার প্রতি ইরানের মূল প্রতিশোধ তখনই পূরণ হবে, যখন মহান শহীদ কাসেম সোলাইমানির লক্ষ্য পূরণ হবে। তার পথ অব্যাহত রয়েছে। কাসেম সোলাইমানির লক্ষ্য মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসনের অবসান ঘটানো ও ধ্বংস করা।

ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন-আল আসাদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিশ্বব্যাপী ওয়াশিংটনের সমীকরণ এলোমেলো হয়ে গেছে।

তিনি বলেন এই অভিযান ইরানের চূড়ান্ত কোনো কৌশলগত জবাব ছিল না, বরং এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছিল মার্কিন অপরাধযজ্ঞের জবাবে প্রতিক্রিয়ার সূচনামাত্র।সাক্ষাৎকারে জেনারেল সালামি আরও বলেন: আমেরিকা কোনো দেশে হামলা করলে পাল্টা হামলার কথা চিন্তাও করতো না। কিন্তু ইরানের জবাবে ওয়াশিংটন এখন তাদের হিসেব-নিকেশের সমীকরণ পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হচ্ছে।

গত ৩ জানুয়ারি আইআরজিসি’র কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ইরাক সরকারের আমন্ত্রণে বাগদাদের একটি বিমানবন্দরে পৌঁছালে মার্কিন সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় শাহাদাত বরণ করেন। ইরাকের সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিট বা হাশদ আশ-শাবি’র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহাদি আল মুহান্দিসসহ আরও ৮ জন ওই সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ হন। জবাবে ইরাকের আনবার প্রদেশের মার্কিন ঘাঁটি আইন-আল-আসাদে ইরান ১০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

ইরানের ওই পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি তছনছ হয়ে যায়। জেনারেল সালামি বলেন: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান মাত্র একটি সুনির্দিষ্ট পয়েন্টে হামলা চালিয়েছে, অথচ ওই হামলার প্রভাব পড়েছে বিশ্বব্যাপী। তিনি বলেন: ইরানের পক্ষ থেকে মার্কিন অপরাধযজ্ঞের কৌশলগত জবাব সেদিন শেষ হবে যেদিন সর্বশেষ মার্কিন সেনা সদস্যটি পশ্চিম এশিয়া ছেড়ে যাবে।

ইসরাইলের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে জেনারেল সালামি বলেন: ইহুদিবাদী ইসরাইল অধিকৃত প্রতিটি পয়েন্ট ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে ইসরাইল আমেরিকার তুলনায় নগণ্য এবং অনেক বেশি অক্ষম বলে তিনি মন্তব্য করেন জেনারেল সালামি। iqna

নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য: