
ফেল্টম্যান সুদানের রাজধানী ত্যাগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সোমবার সামরিক দখলের ঘটনা ঘটে। ফেল্টম্যান সুদানের সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে আলোচনায় অংশ নিচ্ছিলেন। সুদানের ক্ষমতাসীন সার্বভৌমত্ব পরিষদে সামরিক ও বেসামরিক উভয়ই অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং অভ্যুত্থানের পর বুরহান তা বিলুপ্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী হামদকের মতো আরো শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তাদের আটক করা হয়।
রবিবার বুরহান ফেল্টম্যানকে একান্তে জানিয়েছিলেন যে দেশটির বেসামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর অংশগুলো পদক্ষেপ নিতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন এর তীব্র বিরোধিতা করবে এবং খার্তুমে মানবিক সহায়তা বন্ধ করবে।
ফেল্টম্যান সুদানে ফিরে যাবেন কি-না তা এখনও জানা যায়নি। যদিও অ্যাক্সিওসে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেননি।
সোমবার টেলিভিশন ঘোষণায় বুরহান বলেন, সুদান এখন 'একটি স্বাধীন টেকনোক্র্যাট সরকার দ্বারা পরিচালিত হবে' এবং প্রতিশ্রুত নির্বাচনটি ২০২৩ সালের জুলাইয়ে হবে। মঙ্গলবার তিনি আরো বলেন, হামদক সুস্থ ছিলেন এবং তাঁকে মুক্তি দেওয়া হবে।
দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক ওমর আল-বশিরের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের বিপ্লবের পর সুদান সার্বভৌমত্ব কাউন্সিল এবং হামদকের সরকারের নেতৃত্বে গণতন্ত্র প্রক্রিয়াধীন ছিল। তবে সম্প্রতি হামদক এবং বুরহানের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় যা সোমবারের অভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
সূত্র : দ্য নিউ আরব