IQNA

16:16 - May 05, 2022
সংবাদ: 3471813
তেহরান (ইকনা): এক মাস সিয়াম সাধনার পর রোজাদারদের জন্য যা অপেক্ষা করছে তা হল খুশির ঈদ;  পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহর মেহমানিতে যরা গর্বিত ও সমৃদ্ধ হতে পেরেছে, সে সকল যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য ঈদুল ফিতর।

পবিত্র রমজান মাস শেষ হওয়ার পর, শাওয়াল মাসের প্রথম দিনটি ঈদুল ফিতর হিসেবে পালিত হয়; ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন। . আকাশে চাঁদ দেখে রমজানের শেষ ও শাওয়াল মাসের শুরু ঘোষণা করা হয় এবং শাওয়াল মাসের প্রথম দিন মানে ঈদুল ফিতরের আগমন। শরিয়ত মোতাবেক এই দিনে রোজা রাখা হারাম।
 
ঈদুল ফিতর সম্পর্কে ইসলামের নবী (সা.) বলেছেন: “এবং যখন ঈদুল ফিতরের রাত আসে, আল্লাহ তায়ালা আমলদেরকে হিসাব ছাড়াই পুরস্কৃত করেন। আর যখন ঈদের দিনের সকাল হয়, তখন আল্লাহ তায়ালা প্রতিটি শহরে ফেরেশতাদের পাঠান৷ 
তাই তারা মাটিতে অবতরণ করে এবং গলি এবং রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলেন: হে নবীর উম্মত! দয়াময় আল্লাহর কাছে যান, যিনি আপনাকে প্রচুর পুরস্কৃত করবেন এবং আপনার ভারী ভারী গুণাসমূহ ক্ষমা করবেন।
আমালী, শেইখ মুফিদ, পৃ: ২৩২ এবং ইকবালুল আমাল, প্রথম খণ্ড, পৃ: ৫২
 
এই দিনে মুসলমানরা তাদের সম্পদের একটি অংশ জাকাত হিসেবে দরিদ্রদের দেয়; এছাড়াও, একত্রিত হয়ে, তারা জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে।
 
যদিও এই জাকাত সামান্য পরিমাণে, তবে এটি সমাজের দরিদ্র ও দুর্বল লোকদের প্রতি মুসলমানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সমাজে তাদের মত মানুষের চাহিদা মেটাতে মু’মীনদের প্রচেষ্টা ভালোভাবে স্পষ্ট হয়।
 
ইমাম জাফর সাদিক(আ.) সূরা আ’লার ১৪ নম্বর আয়াত সম্পর্কে বলেছেন: 
 
قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَکی
 
নিশ্চয় সে-ই সাফল্য লাভ করেছে যে (যাকাত প্রদানের মাধ্যমে) পরিশুদ্ধ হয়েছে। এই আয়াতের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যাকাতুল ফিতরা প্রদানের মাধ্যমে মানুষ পরিশুদ্ধতা লাভ করে। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যাকাতুল ফিতরা তার মূল খাবারের প্রায় তিন কিলোগ্রাম প্রদান করতে হবে।
 
তবে জাকাত প্রদানের পাশাপাশি, মুসলমানরা ঈদুল ফিতরের সকালে জামাত সহকারে ঈদের নামাজ আদায় করেন এবং পরস্পর কোলাকুলি করেন।

 

সংশ্লিষ্ট খবর
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: