সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ইসলামী ওসমানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং ঐতিহাসিক নগরীর আকর্ষণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া এই প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন আলবাসান শহরের মেয়র গ্লিদিয়ান লাতিয়া, আলবাসানের মুফতি শেখ আজিম দুকা এবং তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা টিকা (TIKA)–এর প্রতিনিধিরা। তারা জানান, সংস্কার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই মসজিদটি খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শহরের কেন্দ্রে ঐতিহাসিক দুর্গ এলাকায় অবস্থিত মালিক মসজিদ আলবাসানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি শুধু শহরের প্রাচীনতম মসজিদই নয়, বরং পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে এই অঞ্চলে ইসলামের প্রাথমিক উপস্থিতির এক জীবন্ত সাক্ষী। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মসজিদটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পার্শ্ববর্তী এলাকায় গভীর প্রভাব রেখে এসেছে।
আলবাসানের মেয়র জানান, সংস্কার প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য দুর্গ এলাকায় মসজিদটি পরিদর্শন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং খুব শিগগিরই মসজিদটি নামাজ আদায়ের জন্য খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে এটি ওসমানীয় ইতিহাস ও স্থাপত্যে আগ্রহী পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হবে।
আলবাসান পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, এই প্রকল্প ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ ও শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রতিশ্রুতির অংশ। এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের ইবাদতের স্থান নয়, বরং শহরের নগরচিত্রের অপরিহার্য অংশ, যা অতীতকে বর্তমানের সঙ্গে যুক্ত করে এবং বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের কাছে শহরের মূল্য বৃদ্ধি করে।
মেয়র আরও বলেন, মসজিদের সংস্কার কাজ দুর্গ এলাকা পুনরুজ্জীবন প্রকল্পের সঙ্গে সমান্তরালে চলছে। এই এলাকা নিজস্ব পরিচয়, ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা বহন করে। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং আলবাসান শহর আলবেনিয়ার সাংস্কৃতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও দৃঢ় অবস্থান অর্জন করবে।
https://iqna.ir/fa/news/4330065