দিফাহ নিউজের বরাত দিয়ে ইকনা জানায়, এই প্রদর্শনী একটি অনন্য সাংস্কৃতিক আয়োজন। এতে ইসলামী যুগের বিভিন্ন সময়ে ও বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে (মশরিক থেকে মাগরিব, মধ্য এশিয়া থেকে আন্দালুসিয়া) কুরআন লিপিকরণের ইতিহাস সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রদর্শনীটি চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত চলবে। এতে দর্শকরা কুফি লিপি থেকে শুরু করে নাসখ, সুলুস, দিওয়ানি এবং ছাপা কুরআন পর্যন্ত লিপির বিবর্তন দেখতে পাবেন। প্রতিটি যুগের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবে কুরআনের শিল্পসৌন্দর্য ও অলংকরণের পার্থক্যও ফুটে উঠেছে।
ইস্তাম্বুলের এই প্রদর্শনী একটি নতুন সাংস্কৃতিক ঘটনা। এই শহর ইসলামী ঐতিহ্যের রাজধানী হিসেবে তার অবস্থান আরও সুসংহত করেছে এবং অতীত ও বর্তমানকে একসূত্রে বেঁধেছে।
তুরস্কের ধর্মীয় বিষয়ক দায়িত্বশীল উসমান ওনলু এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই প্রদর্শনী ইসলামী ভূগোলকে একটি স্থানে সংক্ষিপ্ত করে দেখিয়েছে এবং ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি সত্ত্বেও কুরআন কীভাবে মানুষকে একত্রিত করেছে তা প্রকাশ করেছে।
তিনি আরও বলেন, কুরআনের বিভিন্ন লিপি ও অলংকরণের বৈচিত্র্য বিভিন্ন শিল্পধারার প্রতিফলন, কিন্তু একই সঙ্গে কুরআনের মূল পাঠের অখণ্ডতা ও ঐক্যকে তুলে ধরে।
উসমান ওনলু বলেন, এই প্রদর্শনী শুধু শিল্পের দিকে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাস জুড়ে কুরআনের প্রতি বিশেষ যত্ন ও মনোযোগ দেখায়। এটি প্রমাণ করে যে, ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি সত্ত্বেও কুরআন ইসলামী জাতিগুলোর ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করেছে।
https://iqna.ir/fa/news/4330175