IQNA

21:14 - March 27, 2020
সংবাদ: 2610485
তেহরান (ইকনা)- জম্মু-কাশ্মীরে সংবি'ধানের ৩৭০ ধা'রা বিলো'পের পর থেকে প্রায় সময়ই সীমা'ন্তে গো'লাব'র্ষণ হয়েছে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে। দুই দেশের এত শ'ত্রুতার মাঝেও এবার জয় হল মানবিকতার।

১২ বছরের পাকিস্তানি কিশোরের জন্য সীমা'ন্ত খু'লে দিল ভারত। এদেশ থেকে হা'র্ট সা'র্জারি করে দেশে ফি'রল পাকিস্তানের সাবি সিরাজ। তবে গো'টা ব্যাপারটা এত সহজে হত না দুই দেশের দু’জন সাংবাদিক সিরাজের পরিবারকে সাহায্য না করতেন!দেশে ফে'রার আগে অবশ্য সাবিরের বাবা বলে গেলেন, ভারতের এই সাহায্য আমি কোনো দিন ভুলব না। ভারত আমার হৃদয়ে থাকবে।

গত মাসেই দিল্লির নয়ডার এক হাসপাতালে হা'র্ট সা'র্জারি করাতে এসেছিলেন সাবি ও তার মা-বাবা। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচির বাসিন্দা সাবির অ'স্ত্রো'পচার হয়। তার পর থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। ১৮ মার্চ ছুটি পায় সাবি। এরপরই তারা আ'টারি ব'র্ডার পৌঁ'ছান দেশে ফেরার জন্য। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পরই গোল বাঁ'ধে। ভারতের ই'মি'গ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের বারবার অনুরোধ করেও লাভ হয়নি। সাবি ও তার বাবা-মাকে পাকিস্তান ফে'রত যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিল না ভারতের সংশ্লি'ষ্ট বিভাগ। এরপর সাবির বাবা কোনো ভাবে পাকিস্তানের এক সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে গো'টা ঘ'টনা জানান। সেই পাকিস্তানি সাংবাদিক আবার অমৃতসরের একজন সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্য প্রার্থনা করেন।

দুই দেশের দু’জন সাংবাদিক নিজের দেশের সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। সাহায্য চান। এরপর প'রিস্থি'তি বিচার করে ১২ বছরের সাবির জন্য সীমা'ন্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধা'ন্ত নেয় ভারত। তিনজন পাকিস্তানির জন্য স্পে'শাল পাস তৈরি করা হয়। এর মাঝে সাবির ও তার বাবা-মাকে অমৃতসরে নিজের বাড়িতে নিয়ে রাখেন অমৃতসরের সাংবাদিক রবিন্দর সিং। যাওয়ার আগে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জাহির করে যায় সাবি ও তাঁর পরিবার। সাবিরের বাবা বলে যান, ভারত কাউকে ফে'রায় না। আমি ভারতের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।

সূত্র: mtnews24

নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: